যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে নারীদের বিদায় নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কিম্বার্লি গিলফয়েলের বিদায়ের ঘটনাটি ছিল বেশ চমকপ্রদ। চলতি সপ্তাহ পর্যন্ত তিনি গ্রিসে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। হোয়াইট হাউসের নতুন প্রেস সেক্রেটারির প্রথম সংবাদ সম্মেলন সরাসরি সম্প্রচারকালে তার বিদায়ের ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে গিলফয়েলের এই বাধ্যতামূলক পদত্যাগ প্রশাসন নিয়ে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হোয়াইট হাউসের অভ্যন্তরীণ নীতিমালায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে, যার প্রভাব পড়ছে শীর্ষ কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক পদগুলোতে। সাম্প্রতিক সময়ে প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনকারী নারী কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেওয়ার এই প্রবণতা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও বেশ গুরুত্ব পেয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রশাসনে এই ধরনের রদবদল কীভাবে মার্কিন নীতি নির্ধারণী প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে নানামুখী বিশ্লেষণ।
কিম্বার্লি গিলফয়েলের পদত্যাগের নেপথ্যে সুনির্দিষ্ট কারণ নিয়ে হোয়াইট হাউস থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো না হলেও, কূটনৈতিক মহলে এর নানা মাত্রিক ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে। নতুন প্রশাসনের কৌশলগত অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় মিত্রদের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও কোনো প্রভাব পড়বে কি না, তা নিয়ে কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক