যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে ২৪২ জন নিয়োগের পরীক্ষা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে প্রশ্নপত্র তৈরি থেকে মুদ্রণ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া সরাসরি তদারকি করছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে গত ১০ অক্টোবর পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার পর এবার যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা না ঘটে, সেই বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন তিনি।
গত কয়েকদিন ধরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে রাত কাটিয়ে পুরো প্রক্রিয়াটির ওপর কড়া নজরদারি বজায় রেখেছেন প্রতিমন্ত্রী। অতীতে ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা ঘটেছিল, যা দেশের শিক্ষা ও কর্মসংস্থান ব্যবস্থাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল। সেই ছায়া থেকে বের হয়ে এসে একটি স্বচ্ছ, মেধাভিত্তিক ও জবাবদিহিমূলক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর।
প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের এই ব্যক্তিগত তদারকি ও কঠোর পদক্ষেপের ফলে পরীক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট মহলে স্বস্তি ফিরে এসেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন থেকে শুরু করে কেন্দ্রে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে সর্বোচ্চ গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। কোনো ধরনের গুজবে কান না দিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
এদিকে দেশের সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নানা ধরনের ষড়যন্ত্রের পাঁয়তারা চালালেও সরকারের নীতিনির্ধারক ও দায়িত্বশীল মন্ত্রীরা দেশের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের এই উদ্যোগে জনমনে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে এবং একটি নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক