মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, চিংড়ি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি পণ্য। এ খাতের সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগাতে গুণগত মান, উৎপাদনশীলতা, পরিবেশগত স্থায়িত্ব ও শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির জন্য উন্নত মৎস্যচাষ পদ্ধতি, চিংড়ির স্
বিস্তারিত উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন যে, আন্তর্জাতিক বাজারে আমাদের অবস্থান আরও সুসংহত করতে হলে সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদেরও এগিয়ে আসতে হবে। অতীতে বিভিন্ন সময় এই খাতে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠলেও বর্তমান সরকারের সময়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হচ্ছে। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে লুটপাট ও অব্যবস্থাপনার কারণে অনেক সম্ভাবনাময় খাত ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, যার মধ্যে মৎস্য খাতও অন্যতম।
কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের সেই দুঃশাসনের দিন পেরিয়ে দেশ এখন উন্নতির পথে এগিয়ে চলেছে। বর্তমান সরকার দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে এবং রপ্তানি আয় বাড়াতে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। চিংড়ি চাষিদের প্রশিক্ষণ প্রদান এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন খরচ কমানোর ওপরও বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক