প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান প্রথমবারের মতো আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন। এতে নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশের জনগণের রাজনৈতিক ও সামাজিক অধিকার নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরবেন তিনি। এছাড়া বিগত ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটিয়ে একটি বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক সমাজ বিনির্মাণে তার সরকারের রূপরেখা বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরবেন তিনি।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের এই প্রথম জাতিসংঘ ভাষণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের নতুন ভাবমূর্তি গড়ে তুলতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক রক্তের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা এবং জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষায় সরকারের দৃঢ় অবস্থান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হবে এই ভাষণে।
পাশাপাশি, বিগত দিনে কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত দুর্নীতি, অর্থ পাচার এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রক্রিয়া এবং দেশ গঠনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের বিষয়টিও ভাষণে বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশজুড়ে যে গণতান্ত্রিক সংস্কারের হাওয়া বইছে, তারেক রহমানের বক্তব্যে তারই প্রতিফলন ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক