গাইবান্ধায় সার ডিলার হওয়ার জন্য এবার সাধারণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। জেলার সাতটি উপজেলায় মাত্র ৮৫টি ডিলার পদের বিপরীতে মোট ১ হাজার ১৭৬টি আবেদন জমা পড়েছে। অর্থাৎ গড়ে প্রতিটি ডিলার ইউনিটের বিপরীতে লড়ছেন প্রায় ১৪ জন প্রার্থী। এই বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়ার ঘটনাটি স্থানীয় কৃষি ও ব্যবসায়িক মহলে বেশ কৌতূহল এবং আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কৃষি খাতের সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন মহল মনে করছে, সারের ব্যবসার বর্তমান চাহিদা এবং লাভজনক দিক বিবেচনা করেই প্রার্থীরা এই প্রতিযোগিতায় নেমেছেন।
গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জেলার সবকটি উপজেলায় স্বচ্ছতার সঙ্গে ডিলার নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গণমাধ্যমকে জানান। সার ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের অনিয়ম রোধ এবং কৃষকদের দোরগোড়ায় সহজে সার পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই নতুন ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদারকি করা হচ্ছে।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, অতীতে অনেক সময় ডিলারদের কারসাজির কারণে কৃষকরা সময়মতো এবং ন্যায্যমূল্যে সার পেতে ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। তাই এবারের এই বিশাল প্রতিযোগিতার মধ্য থেকে যেন প্রকৃত এবং সৎ ব্যবসায়ীরা ডিলারশিপ পান, সেই দাবি জানিয়েছেন তারা। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, যাচাই-বাছাই প্রক্রიয়া শেষে খুব শীঘ্রই মেধার ভিত্তিতে যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে, যা জেলার সার্বিক কৃষি উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক