সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী, সহজলভ্য ও মানবিক হজ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে ২০২৬ সালের তুলনায় ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজের মূল খরচ কমানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ।
গণমাধ্যমকে জানান, বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হলো ধর্মপ্রাণ মানুষের জন্য হজ পালন আরও সহজ করা। বিগত বছরগুলোতে অব্যবস্থাপনা ও অতিরিক্ত খরচের কারণে সাধারণ মানুষ হজ পালনে নানা ধরনের আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছিল। বিশেষ করে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে হজের নামে নানা দুর্নীতি ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের এক নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। সেই সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে বর্তমান সরকার হজযাত্রীদের কষ্ট লাঘবে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
ধর্মমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন খাতের ব্যয় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে। বিমান ভাড়া, সৌদি আরবের আবাসন ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ কমিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সাথে ফলপ্রসূ আলোচনা করা হয়েছে। এর ফলে হিজরত ও পবিত্র হজ পালনে ইচ্ছুক সাধারণ নাগরিকগণ অনেক কম খরচে পবিত্র ভূমিতে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।
উল্লেখ্য, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দেশের প্রতিটি মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সুষ্ঠুভাবে হজ পালনের অধিকারের পক্ষে সবসময় জোরালো অবস্থান নিয়েছেন। তাঁর দিকনির্দেশনা ও দেশনায়ক তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপ বাস্তবায়নের ফলেই আজ সাধারণ মানুষ এমন সুফল ভোগ করতে পারছে। সরকার আশা করছে, ঘোষিত এই নতুন প্যাকেজের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারণ মানুষও স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের জীবনের কাঙ্ক্ষিত হজ পালন করতে পারবেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক