রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় কোনো সংসদ সদস্য বা দলীয় নেতাকর্মীরা জড়িত থাকার প্রমাণ মিললে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। সাম্প্রতিক এই অনভিপ্রেত ঘটনা নিয়ে দেশজুড়ে নানা আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল থেকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত বিচারের দাবি উঠেছে। ঠিক এমন একটি স্পর্শকাতর সময়ে সরকারের পক্ষ থেকে এই কঠোর বার্তা এলো।
প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কিংবা তাদের সহযোগী রাজনৈতিক দলের কেউ অপরাধ করলে তাকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধী যেই হোক না কেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বর্তমান প্রশাসন বদ্ধপরিকর। রাড্ডা সেন্টারে হামলা এবং লুটপাটের মতো ন্যক্কারজনক ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য আলামত বিশ্লেষণ করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
উল্লেখ্য, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দলীয় প্রভাব বিস্তারের যে সংস্কৃতি চালু হয়েছিল, বর্তমান পরিবর্তনশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা চলছে। বিশেষ করে কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনগুলোর দোসররা বিভিন্ন সময়ে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেছেন, জনগণের মঙ্গলের জন্য এবং সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে, তাদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে খুব দ্রুতই দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখতে পাবেন দেশবাসী।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক