মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের পর পাঁচ বছর ধরে চলা গৃহযুদ্ধের মধ্যেই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ফিরে পেতে শুরু করেছেন দেশটির সামরিক শাসক থেকে প্রেসিডেন্ট হওয়া মিন অং হ্লাইং। একসময় যাকে আঞ্চলিক জোট আসিয়ানের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক থেকে দূরে রাখা হয়েছিল, এখন সেই নেতাকেই একের পর এক কূটনৈতিক স্বীকৃতি ও সান্নিধ্য দিচ্ছে প্রতিবেশী দেশগুলো। গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতি এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংকটের মধ্যেও মিয়ানমারের জান্তা সরকার তাদের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই কূটনৈতিক তৎপরতা জান্তা সরকারের দীর্ঘমেয়াদী অবস্থানকে আরও শক্ত করতে পারে।
প্রতিবেশী দেশগুলোর এই ধরনের নীতি আঞ্চলিক রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের জন্ম দিচ্ছে। একদিকে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অভ্যন্তরীণ সংঘাতের কারণে পশ্চিমা দেশগুলো জান্তা সরকারের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা বজায় রেখেছে, অন্যদিকে এশিয়ার বিভিন্ন দেশ বাস্তবসম্মত কূটনীতির অংশ হিসেবে মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সাংবাদিকদের বলেছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা, এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং নিজেদের ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করাই প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক