বাগেরহাটে গলদা চিংড়ির রেণু সংকটে চরম বিপাকে পড়েছেন উপকূলীয় অঞ্চলের হাজার হাজার চাষি। জেলার ৫৪ হাজারেরও বেশি ঘেরে প্রতি বছর ৫৮ কোটি ৬০ লাখ রেণুর বিশাল চাহিদা থাকলেও, স্থানীয় হ্যাচারিগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা চাহিদার তুলনায় নগণ্য। বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে উপকূলীয় অর্থনীতির এই গুরুত্বপূর্ণ খাতের উন্নয়নে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, যার দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব আজ মাঠপর্যায়ে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
সংকট আরো তীব্র রূপ নিয়েছে সরকারি ও বেসরকারি ৯টি হ্যাচারির মধ্যে বেশিরভাগই বন্ধ থাকায়। দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা ও আধুনিক প্রযুক্তির অভাব এবং নানা অনিয়মের কারণে এই সংকট তৈরি হয়েছে বলে গণমাধ্যমকে জানান স্থানীয় চাষিরা। বিগত দিনে কার্যকর কোনো মনিটরিং না থাকায় হাচেরিগুলো তাদের উৎপাদন ক্ষমতা হারিয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রান্তিক চাষিরা চড়া দামে বাইরে থেকে রেণু সংগ্রহ করতে বাধ্য হচ্ছেন, যা উৎপাদন খরচ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এই অবস্থায় ৫৪ হাজার চিংড়িচাষি তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। অবিলম্বে সরকারি উদ্যোগে হ্যাচারিগুলো সচল করা না হলে এই অঞ্চলের অর্থনীতি বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক