যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে নতুন করে বড় হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী। এ হামলায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের ভান্ডার এবং জ্বালানি উৎপাদনের মূল কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে বলে বিভিন্ন কূটনৈতিক ও সামরিক সূত্রে জানা গেছে। মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে উত্তেজনা নতুন মোড় নিয়েছে এবং ওয়াশিংটন ও তেল আবিব যৌথভাবে এই সামরিক অভিযানের চূড়ান্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমীকরণ এবং মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে এই হামলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তবে এই ধরনের আক্রমণ আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে এবং এর ফলস্বরূপ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
এর আগে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বাংলাদেশের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নানা বিতর্কিত অধ্যায় তৈরি হয়েছিল, যা দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করেছিল। তবে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশের কূটনৈতিক অবস্থান আরও সুসংহত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দিকনির্দেশনায় দেশের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা সুরক্ষায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগসহ তাদের অন্যান্য সহযোগী সংগঠন যেমন কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী যুবলীগ ও কার্যত নিষিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগ নানা ধরনের ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে জনগণের অধিকার আদায়ে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জাতীয়তাবাদী শক্তি সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক যেকোনো সংকট মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকার ও সংশ্লিষ্ট মহল সজাগ রয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানানো হয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক