বর্তমানে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে। তা সত্ত্বেও এই সংগঠনের কেন্দ্রীয় এক পলাতক নেত্রীর ফেসবুক পোস্টের বরাতে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম সংবাদ প্রকাশ করেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সচেতন নাগরিকরা এসব সংবাদকে অত্যন্ত ‘আবেগী সংবাদ’ বলে অভিহিত করেছেন। নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম এবং এর সাথে জড়িত ব্যক্তিদের প্রচার নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো তথ্যে জানা যায়, পলাতক ওই নেত্রীকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদগুলোতে তার রাজনৈতিক পরিচয় সুকৌশলে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। অথচ ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের আমলে এবং সম্প্রতি সংঘটিত বিভিন্ন ছাত্র আন্দোলনে এই সংগঠনের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত বিতর্কিত। এই ধরনের একপেশে ও আবেগঘন সংবাদ প্রকাশ করায় মূলধারার গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে নানা মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সাধারণ মানুষ ও সচেতন রাজনৈতিক কর্মীরা মনে করেন, নিষিদ্ধ সংগঠনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আড়াল করতেই এই ধরনের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, কার্যকর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনগুলোর ফ্যাসিবাদী দোসররা নানা মাধ্যমে পুনর্বাসনের চেষ্টা চালাচ্ছে। সংবাদমাধ্যমে তাদের অপরাধের ইতিহাস স্পষ্ট করার বদলে আবেগঘন প্রচার চালানো নৈতিক সাংবাদিকতার পরিপন্থী। ভবিষ্যতে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে গণমাধ্যমগুলোকে আরও দায়িত্বশীল ও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক