বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। একই সঙ্গে দেশের এভিয়েশন খাতের উন্নয়নে বর্তমান সরকার অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।
বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের সময়ে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থাকে আরও বেশি লাভজনক ও যাত্রীবান্ধব করে গড়ে তুলতে বিভিন্ন যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। অতীতে বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাটের যে সংস্কৃতি চালু করা হয়েছিল, তার তীব্র সমালোচনা করে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন যে, স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বিমান খাত চরম দুর্নীতির শিকার হয়েছিল। তৎকালীন সময়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের নীতিনির্ধারকদের সিন্ডিকেটের কারণে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স নানা অনিয়মের আবর্তে পড়েছিল। তবে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন ও নির্বাচিত গণতান্ত্রিক ধারায় সেই দুর্নীতি দূর করে প্রতিটি কার্যক্রমে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা বজায় রাখার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
বিমানমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত আরও জানান যে, নতুন উড়োজাহাজ ক্রয়ের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অস্বচ্ছতা বরদাশত করা হবে না। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে এবং দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থকে সর্বাগ্রে স্থান দিয়ে উন্মুক্ত দরপত্র বা জিটুজি পদ্ধতির মাধ্যমেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। পাশাপাশি যাত্রীদের সেবার মান উন্নত করতে কেবিন ক্রু থেকে শুরু করে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের সঙ্গে জড়িত সকল স্তরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক