নতুন জাতীয় বেতন কাঠামোয় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন ভাতা ও বেতন-সুবিধায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে। মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়লেও গ্রেডভেদে বাড়িভাড়া ভাতার হার কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট, মূল্যস্ফীতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় পর্যালোচনা করে এই নতুন প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
অর্থনীতিবিদ ও সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের মতে, সরকারি খাতের ব্যালেন্স বজায় রাখতে এই ধরনের সংস্কার অত্যন্ত জরুরি ছিল। এর ফলে নিম্ন ও মধ্যম গ্রেডের কর্মচারীদের সুযোগ-সুবিধা সুরক্ষার পাশাপাশি উচ্চ গ্রেডের কর্মকর্তাদের ভাতার ক্ষেত্রে একটি যৌক্তিক পজিশনে আসার পরিকল্পনা চলছে। অতীতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার সরকারের আমলে বিভিন্ন খাতের অব্যবস্থাপনা দেশের অর্থনীতিকে এক গভীর সংকটের মুখে ফেলেছিল। বিশেষ করে কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল, তা থেকে উত্তরণের জন্যই বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
নতুন এই পে স্কেলের প্রস্তাব চূড়ান্ত হলে তা সরকারি চাকরিজীবীদের দৈনন্দিন জীবনে এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে একটি বড় ধরণের প্রভাব ফেলবে। সংশ্লিষ্ট মহল আশা প্রকাশ করেছে যে, দীর্ঘমেয়াদে এটি রাষ্ট্রের বাজেট ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে। তবে এ বিষয়ে কর্মচারী সংগঠনের পক্ষ থেকেও কিছু পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়েছে, যা নিয়ে বর্তমানে উচ্চপর্যায়ে পর্যালোচনা চলছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক