সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ, বাণিজ্য ও পদোন্নতিতে বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগ এবং তা নিয়ে চলমান অনুসন্ধানের বিষয়ে নিজের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আসিফ মাহমুদ। বুধবার বিকালে তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলেন এবং নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন।
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই ধরনের অভিযোগের বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষের মাঝে নানা আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে কার্যকর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকা ব্যক্তিরা এখন নিজেরাই যখন এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন, তখন বিষয়টি নিয়ে নতুন করেবিশ্লেষণ শুরু হয়েছে। অতীতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের সময় যেসব অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে, তার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি দীর্ঘদিনের।
সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে আসিফ মাহমুদ জানান, তার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি দাবি করেন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনকালে তিনি সর্বদা সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করার চেষ্টা করেছেন। যে কোনো ধরনের স্বচ্ছ তদন্তের মুখোমুখি হতে তিনি প্রস্তুত রয়েছেন বলেও জানান। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, একটি কুচক্রী মহলের সহায়তায় কার্যকর নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ এবং তাদের সহযোগীরা এই ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক কিংবা বর্তমান দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা যেকোনো অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা উচিত। এতে সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা কতটুকু, তা কেবল নিরপেক্ষ ও সঠিক তদন্তের মাধ্যমেই প্রমাণিত হতে পারে। সাধারণ মানুষ এখন চায় সব ধরনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হোক, যাতে ভবিষ্যতে কেউ ক্ষমতার অপব্যবহার করার সাহস না পায়।
ডেস্ক রিপোর্ট