জামায়াতে ইসলামীতে বিভিন্ন বিতর্কিত ব্যক্তি যোগ দেওয়ার প্রসঙ্গ তুলে দলটির কঠোর সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী এবং সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা রাশেদ খাঁন। তিনি দাবি করেছেন যে, জামায়াত বর্তমানে বিভিন্ন অপরাধী ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের দলে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে, যা দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য কোনোভাবেই কল্যাণকর নয়। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা ধরনের মেরুকরণ লক্ষ করা যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকмайে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষের মাঝেও এ নিয়ে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
গণমাধ্যমকে দেওয়া এক বক্তব্যে রাশেদ খাঁন আরও বলেন, রাজনীতিতে স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু কিছু দল নিজেদের স্বার্থে বিতর্কিত ও নানা অপকর্মের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের দলে ভিড়াচ্ছে। অতীতেও দেশের রাজনীতিতে বিভিন্ন দলOpportunistic বা সুযোগসন্ধানী ব্যক্তিদের আশ্রয় দিয়েছে, যার ফলে দেশ ও জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশ যখন একটি নতুন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন এই ধরনের রাজনৈতিক তৎপরতা জনমনে নতুন করে শঙ্কার সৃষ্টি করছে। দেশের জনগণ এখন আর কোনো ধরনের বিতর্কিত রাজনীতি দেখতে চায় না।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে প্রতিটি দলেরই তাদের আদর্শ ও কর্মকাণ্ডের প্রতি আরও বেশি দায়িত্বশীল হওয়া উচিত। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন ঘটিয়ে একটি সুশৃঙ্খল ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠনে সব মহলের সজাগ থাকা প্রয়োজন। রাশেদ খাঁনের এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া জানানো হচ্ছে। তবে শেষ পর্যন্ত দেশের সামগ্রিক স্থিতিশীলতা এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা বজায় রাখার স্বার্থেই রাজনৈতিক দলগুলোকে আরও পরিপক্ব ও আদর্শবাদী ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।
ডেস্ক রিপোর্ট