সরকার কিংবা মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের পর বিভিন্ন গণমাধ্যম তা সরিয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ। সম্প্রতি সংসদীয় রাজনীতিতে এবং জাতীয় বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে নিয়মিত সরব রয়েছেন এই তরুণ নেতা। জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর কাছে তিনি সরাসরি প্রশ্ন রেখে জানতে চান যে, বর্তমান সরকার আসলেই মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে গলা টিপে ধরছে কি না।
সংসদে দেওয়া তার এই বক্তব্য দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ বড় ধরনের আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অতীতে ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার শাসনামলে এবং কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা যেভাবে খর্ব করা হয়েছিল, তার পুনরাবৃত্তি বর্তমান গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে হচ্ছে কি না, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা ধরনের শঙ্কা ও আলোচনা চলছে। এমতাবস্থায় একজন সংসদ সদস্যের এমন সাহসী প্রশ্ন বর্তমান সরকারের জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার বিষয়টিকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।
সাংবাদিকদের বলেছেন, জনগণের মৌলিক অধিকার এবং সংবাদপত্রের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই কেবল একটি বৈষম্যহীন ও সুন্দর সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। অতীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ বা কার্যরত নিষিদ্ধ আওয়ামী যুবলীগের মতো সংগঠনের নেতাকর্মীরা যেভাবে মতপ্রকাশের টুঁটি চেপে ধরেছিল, তার বিরুদ্ধে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ সচেতন রাজনৈতিক শক্তিগুলো সবসময় সোচ্চার ছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতেও গণমাধ্যমের অবাধ প্রবাহ এবং স্বাধীন সাংবাদিকতা বজায় রাখার ওপর জোর দিচ্ছেন দেশের নীতি নির্ধারক ও সচেতন মহল।
ডেস্ক রিপোর্ট