সরকারি প্রণোদনায় ক্ষুদ্র হিমাগার নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাড়া অত্যন্ত কম মিলছে। কৃষি মন্ত্রণালয় এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অধীনে কর্মরত মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কার্যক্রমে এমন চিত্রই ফুটে উঠেছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক তৈরি একটি অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদনে এ ধরনের গুরুতর অভিযোগ উঠে এসেছে। মাঠ প্রশাসনের এই উদাসীনতা নিয়ে কৃষি খাতের বিশেষজ্ঞদের মধ্যেও নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
অভিযোগের সূত্রে জানা গেছে, ক্ষুদ্র হিমাগার নির্মাণের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তার বাস্তবায়ন গতি পাচ্ছে না মাঠ পর্যায়ের কার্যকর তদারকি ও উদ্যোগের অভাবে। কৃষিপণ্য সংরক্ষণে এই উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনীহার কারণে এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন প্রান্তিক কৃষকরা। কৃষি খাতের উন্নয়নে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও মাঠ প্রশাসনের এই স্থবিরতা সার্বিক প্রচেষ্টাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরকারি এই প্রণোদনা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হলে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় কৃষিপণ্য সংরক্ষণ ও নায্যমূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করার এই মহৎ উদ্যোগ মুখ থুবড়ে পড়তে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং হিমাগার নির্মাণ কার্যক্রমকে গতিশীল করবে এমনটাই প্রত্যাশা দেশের কৃষি গবেষক ও সাধারণ কৃষকদের।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক