চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বাঁশখালীর মিষ্টি পান চাষ করে বর্তমানে দারুণভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছেন স্থানীয় চাষিরা। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে সুস্বাদু এই মিষ্টি পান এখন বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পাশাপাশি কৃষকদের মুখে হাসির ঝিলিক দেখা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক ও প্রবাসীদের বাজারে বাঁশখালীর পানের চাহিদা দিন দিন বহুগুণ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গানের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী শেফালী ঘোষের বিখ্যাত গানের ভাষায় যদি বলতে হয়, তবে বলতে হয় বাঁশখালীর পানের অনন্য স্বাদের কথা। যুগ যুগ ধরে এই অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া পান চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কৃষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে উৎপাদিত এই পান এখন দেশের বিভিন্ন জেলার চাহিদা মিটিয়ে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিয়মিত রপ্তানি হচ্ছে।
কৃষি সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারের পক্ষ থেকে যদি এই পান চাষিদের যথাযথ প্রণোদনা ও সহযোগিতা প্রদান করা যায়, তবে ভবিষ্যতে বাঁশখালীর মিষ্টি পান দেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি পণ্যের মর্যাদা লাভ করতে পারবে। স্থানীয় চাষিরাও এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে এখন আরও বেশি উৎসাহী হয়ে উঠেছেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক