ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই এ অঞ্চলে নিজেদের কৌশলগত প্রভাব অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় ওয়াশিংটন এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বিশ্ব রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার দোহাই দিয়ে পেন্টাগন সামরিক শক্তি জোরদার করার এই পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।
এ লক্ষ্যে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় তিনটি অত্যাধুনিক বিমানবাহী রণতরী ও দুটি ল্যান্ডিং গ্রুপস বা উভচর অবতরণকারী সামরিক ইউনিট মোতায়েনের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতিতে এই সামরিক মহড়ার ব্যাপক তাৎপর্য রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মূল রুট এবং মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহ লাইন সুরক্ষিত রাখার নাম করে মার্কিন এই সামরিক উপস্থিতি পুরো অঞ্চলটিকে আরও বেশি অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাকযুদ্ধ এবং পাল্টাপাল্টি হুশিয়ারির পর এই সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের খবর সামনে এল। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আঞ্চলিক মিত্রদের সুরক্ষা দেওয়া এবং যেকোনো ধরনের আক্রমণ প্রতিহত করতেই এই অতিরিক্ত সামরিক শক্তি পাঠানো হচ্ছে। তবে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে গেল।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক