একাধিক রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারি এড়িয়ে ভারত থেকে সরাসরি ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনের ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে টেলিগ্রামে গোপন ভার্চ্যুয়াল বৈঠক করেছেন ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা। এই গোপন বৈঠকের বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সম্পূর্ণ অন্ধকারে ছিল বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চলা এই ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে ঝিনাইদহ-৪ আসনের কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। ভারত বসে প্রযুক্তির অপব্যবহার করে কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা এই গোপন বৈঠক পরিচালনা করেন এবং দলের বিভিন্ন ইউনিটের নতুন কমিটি ঘোষণা করেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পরেও গোপনে এমন বৈঠক চালিয়ে যাওয়া এবং কমিটি ঘোষণা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিনষ্টের একটি গভীর ষড়যন্ত্র। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর নজরদারি এড়িয়ে এমন গোপন কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হলো, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন উঠেছে। এই ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট এলাকায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক