দেশের সব নাগরিকের জন্য নিরাপদ, পুষ্টিকর ও মানসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম। তিনি বলেছেন, খাদ্য মানুষের মৌলিক চাহিদা ও সর্বজনীন মানবাধিকার। সংবিধান অনুযায়ী, নাগরিকদের মৌলিক চাহিদা পূরণের ব্যবস্থা করা রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। বর্তমান সরকার জনগণের দোরগোড়ায় নিরাপদ খাদ্য পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
গণমাধ্যমকে জানান খাদ্যমন্ত্রী, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কেবল সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়। এর জন্য প্রয়োজন বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তা, গবেষক এবং সাধারণ মানুষের আন্তরিক সহযোগিতা। নিরাপদ খাদ্য আইন যথাযথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভেজাল ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্য উৎপাদন এবং বাজারজাতকরণ কঠোরভাবে দমন করা হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন শিল্প খাতের প্রতিনিধিরা। তারা নিরাপদ খাদ্য আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন এবং সরকারের নীতিমালার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানান। মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অচিরেই একটি পুষ্টিসমৃদ্ধ ও নিরাপদ খাদ্যভাণ্ডার গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক