ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনের ভোটগণনা এখনো অব্যাহত রয়েছে এবং দেশজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০ শতাংশ ভোট গণনা সম্পন্ন হয়েছে। এই প্রাথমিক ফলাফলে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী দল লিকুদ পার্টি প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর চেয়ে বেশ কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে এই নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।
ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির প্রকাশিত তথ্য এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া সূত্রে জানা গেছে, ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর থেকেই শুরু হয় গণনা প্রক্রিয়া। নেতানিয়াহুর দল লিকুদ পার্টি এবং তার জোটসঙ্গী উগ্র ডানপন্থী দলগুলো সরকার গঠনের প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিকে এগোচ্ছে। তবে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না, কারণ বাকি থাকা ৪০ শতাংশ ভোটের মধ্যে বেশ কিছু আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেছে।
আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এই নির্বাচনের ফলাফলের বহুমুখী প্রভাব রয়েছে। বিশেষ করে আঞ্চলিক কূটনীতি, ফিলিস্তিন সংঘাত এবং পশ্চিমা বিশ্বের সাথে সম্পর্কের সমীকরণে নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ একটি বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করবে। এর আগে বিগত সরকারের বিভিন্ন নীতি নিয়ে দেশজুড়ে নানা বিতর্ক ও সমালোচনা থাকলেও, লিকুদ পার্টির এই অগ্রগমিত প্রমাণ করে যে নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভিত্তি এখনো যথেষ্ট শক্ত। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খুব শীঘ্রই পূর্ণাঙ্গ ও চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হবে, যা ইসরায়েলের পরবর্তী রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারণ করবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক