রাত পোহালেই বহুল আলোচিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে শেষ মুহূর্তে চরম উত্তেজনা ও স্নায়ুযুদ্ধ বিরাজ করছে। নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন, ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়াকে নিজেদের পক্ষে টানতে নানা অভিযোগ ও পালটা অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পুরো নির্বাচনী এলাকা।
গণমাধ্যমকে জানান স্থানীয় প্রার্থীরা, শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় দুই পক্ষই নিজেদের অবস্থান সুসংহত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ভোটের মাঠে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে এক ধরনের উৎকণ্ঠা কাজ করছে। বিশেষ করে দীর্ঘদিন পর একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের আমেজে ভোটাররা মুখিয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটদান সম্পন্ন হওয়া নিয়ে শঙ্কা কাটছে না।
উল্লেখ্য যে, অতীতে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের নানা দমনপীড়ন ও একদলীয় শাসনব্যবস্থার কারণে সাধারণ মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে জনমতের প্রকৃত প্রতিফলন ঘটবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
অন্যদিকে, বিগত দিনে দেশের রাজনীতিতে কার্যতঃ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে রায় দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটগ্রহণের দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পর্যাপ্ত সংখ্যক আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মোতায়েন থাকবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক