মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গে অপরাধ দমনের নামে কি উত্তরপ্রদেশ বা আসামের এনকাউন্টার মডেল অনুসরণ করা হচ্ছে? মঙ্গলবার একই দিনে উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা এবং মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানে পুলিশের গুলিতে দুই অভিযুক্তের মৃত্যুর পর এই প্রশ্নই এখন রাজ্য রাজনীতিতে সবচেয়ে বড় চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং অপরাধ দমনের নামে পুলিশি বাড়াবাড়ি নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
এই ঘটনার পর রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, বিচারবহির্ভূত হত্যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। অন্যদিকে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে আত্মরক্ষার্থেই পুলিশকে গুলি চালাতে বাধ্য হতে হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের মধ্যে এই ধরনের পুলিশি পদক্ষেপ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
উল্লেখ্য, অতীতে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের আমলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছিল। বর্তমানে কার্যকর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের স্মৃতি এখনো সাধারণ মানুষের মনে রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং মানবাধিকারের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা প্রশাসনের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাংবাদিকদের কাছে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিনিধিরা এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক