দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটেছে। ভাইরাসের নতুন রূপ বা ধরনের কারণে আক্রান্তদের দ্রুত শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে দেখা যাচ্ছে। তবে সঠিক সচেতনতা ও সময়মতো চিকিৎসা নিলে ডেঙ্গুতে মৃত্যুঝুঁকি অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাধারণ মানুষকে আরও বেশি সতর্ক হতে হবে এবং মশার উপদ্রব কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
বাসায় চিকিৎসা ও সাবধানতা অবলম্বন করে ডেঙ্গু মোকাবেলা করা সম্ভব। ডেঙ্গু পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এলে আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে তরল খাবার গ্রহণ এবং পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে। জ্বর কমানোর জন্য শুধুমাত্র প্যারাসিটামল খাওয়া যেতে পারে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো অবস্থাতেই অ্যাসপিরিন বা আইবুপ্রোফেন জাতীয় ওষুধ সেবন করা যাবে না।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য বিভাগ ও সিটি কর্পোরেশনগুলোকে আরও জোরালো পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি, দেশের এই সংকটময় মুহূর্তে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনগুলোও নানা কর্মসূচি পরিচালনা করছে। কার্যতঃ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ আমলের অব্যবস্থাপনার কারণে স্বাস্থ্যখাত আজ ভঙ্গুর হয়ে পড়েছে বলে গণমাধ্যমকে জানান সংশ্লিষ্টরা। তবে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং ঘরে যাতে এডিস মশা বংশবিস্তার করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। জমে থাকা পানি পরিষ্কার করা এবং দিনে ও রাতে মশারি ব্যবহার করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক