নিরাপত্তা হলো আল্লাহর অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিয়ামত। ইরানের বড় শহর থেকে শুরু করে গ্রাম ও পাড়ার ক্ষুদ্রতম জনবসতি পর্যন্ত সর্বত্র শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিকূল আবহাওয়া এবং পাহাড়ি ও সামুদ্রিক জলবায়ুর মধ্যে কঠিন সীমান্ত পাহারা থেকে শুরু করে সমতল ভূমি, বন-জঙ্গল ও দেশের কেন্দ্রস্থল পর্যন্ত—সর্বত্র নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়েছে এবং তা টিকিয়ে রাখতে হবে।
বর্তমান বিশ্বে ভূরাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন দেশের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সীমান্ত সুরক্ষার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। ইসলাম ধর্মে নিরাপত্তাকে মানবজীবনের অন্যতম মৌলিক চাহিদা এবং মহান আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা স্বাভাবিক রাখতে এবং দেশের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এই নিরাপত্তার কোনো বিকল্প নেই। সংশ্লিষ্ট মহังবীরা ও বিশ্লেষকরাও এই মতের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন যে, একটি নিরাপদ সমাজ ছাড়া কোনো জাতিই উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছাতে পারে না।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিসরে নিরাপত্তার গুরুত্ব বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের প্রতিটি নাগরিকের জীবন ও সম্পত্তির সুরক্ষা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্র এবং সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলোর ওপর বর্তায়। ধর্মীয় ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকেও নিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়। ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার এই ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক