কুড়িগ্রামের চিলমারী নদীবন্দরের নিয়ন্ত্রণাধীন রাজিবপুর ও নয়ারচর ঘাটে নাব্যতা সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। শুষ্ক মৌসুমে নদীতে পানি কমে যাওয়ায় বিভিন্ন স্থানে চর জেগে ওঠায় নৌযান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন চরাঞ্চলের যাত্রী, ব্যবসায়ী ও নৌযান চালকেরা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই রুটটি দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ যাতায়াত করেন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন করা হয়। কিন্তু বর্তমানে পর্যাপ্ত পানির অভাবে বড় ইঞ্জিন চালিত নৌকা ও লঞ্চগুলো চরে আটকে যাচ্ছে। ফলে গন্তব্যে পৌঁছাতে স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ সময় ও অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা সময়মতো তাদের পণ্য বাজারে পাঠাতে না পেরে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
নৌযান চালকেরা অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে এই রুটে কোনো ধরনের ড্রেজিং বা খননকাজ চালানো হয়নি। যার ফলে পলি জমে নদীর তলদেশ উর্বর হয়ে চরে পরিণত হয়েছে। দ্রুত এই রুটে জরুরি ভিত্তিতে ড্রেজিং করে নাব্য ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জন সাধারণ ও ভুক্তভোগীরা। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে চরাঞ্চলের মানুষের এই দুর্ভোগ দিন দিন আরও তীব্র হচ্ছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক