নামাজ আদায়ের জন্য নির্দিষ্ট কোনো মসজিদ থাকা বাধ্যতামূলক নয়। জাতীয় নিরাপত্তা ও বিমান চলাচলের নিরাপত্তার স্বার্থে সরকারি জমিতে থাকা ধর্মীয় স্থাপনা বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। সম্প্রতি কলকাতা বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে আইনি লড়াইয়ের পথে হেঁটেছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। এই রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে সেখানকার একটি প্রাচীন মসজিদ। যা নিয়ে বর্তমানে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ আদালতকে জানিয়েছে যে, যাত্রী সাধারণের নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক মানের বিমান চলাচলের পরিসর বৃদ্ধি করতে এই রানওয়ে সম্প্রসারণ অত্যন্ত জরুরি। সরকারি জমিতে অবস্থিত ওই মসজিদটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য এর আগে বারবার স্থানীয় পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা হলেও কোনো স্থায়ী সমাধানসূত্র মেলেনি। ফলে বাধ্য হয়েই বিচার বিভাগের দ্বারস্থ হতে হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।
বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, আধুনিক বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বাগ্রে বিবেচনা করা হয়। রানওয়ের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি না পেলে বড় আকर्ণের বিমান অবতরণে ঝুঁকি থেকেই যায়। অন্যদিকে, ধর্মীয় ভাবাবেগের বিষয়টির সঙ্গে জনস্বার্থ ও নিরাপত্তার বিষয়টি সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে বিচার করার জন্য এখন আদালতের রায়ের দিকে তাকিয়ে রয়েছে উভয় পক্ষ।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক