যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে সম্ভাব্য হামলার পথ খুঁজছেন বলে মার্কিন সাময়িকী দ্য আটলান্টিক দেশটির কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে জানিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে এই সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ ওয়াশিংটনের মিত্র ও প্রতিপক্ষ উভয় মহলেই গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে ট্রাম্প প্রশাসন এ ধরনের কোনো ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয় কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরানের বিভিন্ন কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর বিষয়ে হোয়াইট হাউসের অভ্যন্তরে নিবিড় আলোচনা চলছে। মার্কিন সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা এই ধরনের অভিযানের সম্ভাব্য পরিণতি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার ওপর এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব নিয়ে শীর্ষ নীতিনির্ধারকদের সতর্ক করেছেন। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা ও স্বার্থের ওপর তেহরানের পক্ষ থেকে পাল্টা আঘাত আসার শঙ্কা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ঘরোয়া রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করার জন্য এই ধরনের বৈদেশিক সামরিক অভিযান অনেক সময় বিতর্কিত হলেও মার্কিন রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নতুন নয়। তবে ইরানের মতো একটি আঞ্চলিক শক্তির বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে এক নতুন সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে। এখন বিশ্ববাসীর নজর হোয়াইট হাউসের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগের এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির দিকে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক