মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা দায়ের করে আদালতকে বিভ্রান্ত, মূল্যবান সময় নষ্ট এবং বিবাদীকে অযথা হয়রানির দায়ে মামলার বাদী রিনা আক্তার ও তার স্বামী ১ নম্বর সাক্ষী মাসুদ বেপারীকে ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। বিচারিক প্রক্রিয়ার অপব্যবহার রোধ এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে এই রায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন আইনজীবীরা।
আদালত সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি পক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে আইনি লড়াই চালিয়ে আসছিলেন ওই দম্পতি। কিন্তু সাক্ষ্যপ্রমাণ ও দীর্ঘ শুনানিতে অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। উল্টো প্রমাণিত হয় যে, শুধুমাত্র প্রতিপক্ষকে সামাজিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা করার উদ্দেশ্যে আদালতের কাঁধে ভর করে এই ভিত্তিহীন মামলাটি সাজানো হয়েছিল। বিচারক রায়ে উল্লেখ করেন, আদালতের সময় এবং রাষ্ট্রের মূল্যবান সম্পদ অপচয় করার এমন প্রবণতা রোধে কঠোর বার্তা দেওয়া প্রয়োজন।
আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই ধরনের রায় সমাজে একটি শক্তিশালী বার্তা দেবে যাতে কেউ ভবিষ্যতে ব্যক্তিগত আক্রোষ চরিতার্থ করার জন্য আদালতের মতো পবিত্র অঙ্গনকে ব্যবহার করার সাহস না পায়। মামলার রায়ের পর থেকেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভবিষ্যতে মিথ্যা মামলা দায়েরের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগের এমন কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে বলেই প্রত্যাশা করছেন সচেতন মহল।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক