পার্বত্য চট্টগ্রামে চাঁদাবাজি ও নানাবিধ অপতৎপরতার জন্য উপজাতীয়দের আঞ্চলিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টকে (ইউপিডিএফ) দমন করতে আলাদা করে কোনো সেনাবাহিনীর প্রয়োজন হবে না বলে স্পষ্ট মন্তব্য করেছেন রাঙামাটি ৩০৫ পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল। তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেছেন যে, পার্বত্য চট্টগ্রামের সাধারণ জনগণই সচেতন রয়েছে এবং তারাই এই অপশক্তিগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
দীর্ঘদিন ধরে পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অথচ একটি বিশেষ মহল পাহাড়ি অঞ্চলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে ফায়দা লোটার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এমতাবস্থায় স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত প্রতিরোধই ইউপিডিএফের মতো সশস্ত্র ও চাঁদাবাজ সংগঠনগুলোর অপতৎপরতা রুখে দিতে পারে বলে মনে করছেন সামরিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।
বিশ্লেষকদের মতে, পার্বত্য অঞ্চলের সাধারণ পাহাড়ি ও বাঙালি উভয় সম্প্রদায়ের মানুষই এখন শান্তি চায়। তারা চায় না কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী সাধারণ মানুষের রক্ত চুষে খাক। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুলের এই বক্তব্য মূলত জনগণের শক্তির ওপর আস্থারই বহিঃপ্রকাশ। এর ফলে পার্বত্য এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় জনগণের অংশগ্রহণ আরও সুদৃঢ় হবে এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো কোণঠাসা হয়ে পড়বে বলে আশা করা যাচ্ছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক