যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার প্রক্রিয়া নিয়ে দেশজুড়ে চলা নানা আলোচনা ও সমালোচনার মুখে অবশেষে এর পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। সম্প্রতি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই বড় অংকের বাণিজ্যিক ও কৌশলগত ক্রয়ের নেপথ্যের কারণগুলো তুলে ধরেন এবং জনগণের সামনে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করেন।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, যেহেতু দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরের সক্ষমতা বাড়াতে এবং আন্তর্জাতিক রুটে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে নতুন আকাশযানের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছিল, তাই এই দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় স্বচ্ছতা বজায় রেখেই দেশের বিমান চলাচল খাতের আধুনিকায়নের জন্য এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে দেশের পর্যটন শিল্প এবং প্রবাসীদের যাতায়াত ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
উল্লেখ্য যে, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বিমান কেনাকাটা ও খাতের বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছিল। তবে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিটি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। এছাড়া কার্যকরভাবে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের বিভিন্ন অসমাপ্ত চুক্তি ও বৈদেশিক বাণিজ্যের বিষয়টিও সরকার গভীরভাবে পর্যালোচনা করছে। তথ্য উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করেন যে, বোয়িংয়ের সঙ্গে এই চুক্তির ফলে দেশের এভিয়েশন খাতে দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং কোনো ধরনের অস্বচ্ছতা ছাড়াই সম্পূর্ণ নিয়মের মধ্য দিয়ে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক