আপাতত ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ কার্যক্রম স্থগিত করেছে সরকার। নির্বাচনকালীন প্রশাসনিক প্রস্তুতি, ভোটার তালিকা হালনাগাদ এবং সীমানা নিয়ে সম্ভাব্য জটিলতা এড়াতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বলবৎ থাকবে বলে স্থানীয় সরকার বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশের প্রশাসনিক কাঠামোতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর ও জনমুখী করে তোলার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। অতীতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে যত্রতত্র ব্যবহার করা হয়েছিল এবং অপরিকল্পিতভাবে ইউনিয়ন পরিষদ বিভক্ত করে প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি করা হয়েছিল।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই স্থগিতাদেশের ফলে মাঠ পর্যায়ে নির্বাচনকালীন প্রশাসনিক প্রস্তুতি গ্রহণ, সঠিক ও নির্ভুল ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা এবং সীমানা নির্ধারণ সংক্রান্ত দীর্ঘমেয়াদী আইনি ও সামাজিক জটিলতা এড়ানো সম্ভব হবে। সরকার আশা প্রকাশ করেছে যে, এ ধরনের সময়োপযোগী পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা ফিরে আসবে এবং জনদুর্ভোগ অনেকাংশে হ্রাস পাবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক