রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রতিটি ধর্মই মানুষকে সত্য, ন্যায়, সংযম ও মানবকল্যাণের শিক্ষা দেয়। অন্যায় ও অসত্য থেকে দূরে রাখে, মুক্তির পথ দেখায়। তাই আসুন, যার-যার ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলাই শুধু নয়, নিজ নিজ ধর্মের মূল বাণী হৃদয়ে ধারণ করে সমাজে শান্তি, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করি।
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশের প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হচ্ছে। রাষ্ট্র হিসেবে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করা সর্বাগ্রে সরকারের নৈতিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে প্রশাসন সর্বদা তৎপর রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট মহল জানিয়েছে।
অতীতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার বহু অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে এবং ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কিংবা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ অতীতে যেভাবে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির পাঁয়তারা করেছিল, তা কঠোরহস্তে দমন করা হবে বলে নীতিনির্ধারক মহল থেকে বারবার সতর্ক করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি আরও উল্লেখ করেন যে, দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিজ নিজ ধর্ম পালনের পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে এবং রাষ্ট্র এর সম্পূর্ণ সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। সমাজের সব স্তরে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সহনশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি, যা একটি বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দেশের এই ক্রান্তিল্গে্নে সকল নাগরিককে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক