আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, এমন কোনো আইন করা যাবে না, যেখানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ইমোজি, রাজনৈতিক সমালোচনা কিংবা সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলাও সাইবার অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি করে। আগের সরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন কিংবা সাইবার সুরক্ষা আইনের নামে নাগরিকদের বাকস্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের মৌলিক অধিকার হরণ করেছিল। সেই ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলের দমনপীড়নমূলক নীতি দেশের সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক কর্মীরা কখনো মেনে নেয়নি এবং ভবিষ্যতেও এমন কোনো কালাকানুন মেনে নেওয়া হবে না।
গণমাধ্যমকে জানান তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে নাগরিকদের অধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হওয়া উচিত। সাইবার অপরাধ দমনের নামে যেন ঢালাওভাবে সাধারণ মানুষের কণ্ঠ রোধ করার কোনো অপচেষ্টা চালানো না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে সজাগ থাকতে হবে। রাজনৈতিক সমালোচনা বা ভিন্নমত পোষণের কারণে কাউকে যেন হয়রানির শিকার হতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সাইবার আইন নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। এই বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা তাদের সুনির্দিষ্ট মতামত তুলে ধরছেন। জনগণের মৌলিক অধিকার অক্ষুণ্ণ রেখে একটি আধুনিক, গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত নীতিমালায় প্রয়োজনীয় সংস্কার আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন ব্যারিস্টার ফুয়াদ।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক