ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি সাদিক কায়েম। শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব দেওয়া এই তরুণের শৈশব কেটেছে মাদরাসা, স্কুল ও বাবার ছোট্ট কাপড়ের দোকানে। পড়াশোনার পাশাপাশি ছোটবেলা থেকেই বাবার ব্যবসায় সহযোগিতা করতেন তিনি। তার ভাষায়, দোকানে বসে ক্রেতা সামলানো ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে মেশার মাধ্যমেই মূলত তার সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনের প্রাথমিক পাঠ শুরু হয়েছিল।
পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা না থাকায় ছোটবেলা থেকেই সংগ্রাম করে বড় হতে হয়েছে সাদিক কায়েমকে। মাদরাসার কঠোর শৃঙ্খলা এবং সাধারণ স্কুলের আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে তার শিক্ষাজীবন এগিয়ে চলে। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে পড়েন। ক্যাম্পাসের প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তে তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং তাদের জোরালো দাবিগুলো কর্তৃপক্ষের সামনে তুলে ধরেছেন।
তার এই বেড়ে ওঠার পেছনে রয়েছে এক দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস, যা তাকে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে। বাবার কাপড়ের দোকানের সেই ছোট্ট সেলসম্যান থেকে শুরু করে আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত প্রতিনিধি—সাদিক কায়েমের এই যাত্রা তরুণ প্রজন্মের কাছে এক অনুপ্রেরণার নাম। সাংবাদিকদের তিনি জানান, সাধারণ মানুষের কষ্ট এবং তাদের না বলা কথাগুলোই তাকে সবসময় অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে শক্তি জোগায়। ভবিষ্যতে দেশের কল্যাণে এবং সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি নিজের এই লড়াই অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক