বর্ষা এলেই প্রমত্তা পদ্মার পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। নদীর এই জলস্ফীতিতে তলিয়ে যায় তীরবর্তী বিস্তীর্ণ চর, প্লাবিত হয় ঘরবাড়ি এবং ভেসে যায় কৃষকের সোনালী ফসল। আকস্মিক এই বন্যায় গবাদিপশু ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে নৌকায় আশ্রয় খুঁজতে হয় অসহায় মানুষকে। পানিবন্দী মানুষের এই দুর্ভোগের অন্ত থাকে না।
তবে এই চিত্র স্থায়ী হয় মাত্র কিছুদিন। এর ঠিক পরেই ভারতের একতরফা পানি প্রত্যাহারের ফলে সৃষ্ট ফারাক্কার প্রভাবে সেই পদ্মাই আবার শুকিয়ে বিশাল বালুচরে পরিণত হয়। নদীর বুকজুড়ে তখন প্রবহমান জলের পরিবর্তে দেখা যায় ধু-ধু বালুর সাম্রাজ্য। পানির অভাবে নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ ব্যাহত হয়।
নদীর এমন চরম রূপ পরিবর্তনের ফলে সেচের পানির চরম সংকট দেখা দেয়, যা কৃষকের মনে তৈরি করে গভীর হাহাকার। এছাড়া নাব্য সংকটের কারণে নৌযান চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায় এবং জলজ Ecosystem নষ্ট হয়ে মাছের বিচরণ মারাত্মকভাবে কমে যায়। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা গণমাধ্যমকে জানান, দীর্ঘমেয়াদী এই পানিসংকট নিরসনে কার্যকর কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক