বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের প্রায় সাত মাস পর প্রথমবারের মতো সচিব সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনা, জনগণের সেবা নিশ্চিত করা এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জবাবদিহির আওতায় আনার বিষয়ে সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে সরকারি দপ্তরে ঘুষ গ্রহণ, সেবাপ্রত্যাশী সাধারণ মানুষকে হয়রানি রোধ এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কঠোর নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
বর্তমান সরকারের নীতি অনুযায়ী মাঠ প্রশাসনকে আরও জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। বিগত দিনে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের আমলে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে যে দলীয়করণ ও অব্যবস্থাপনা তৈরি হয়েছিল, তা থেকে বেরিয়ে এসে একটি পেশাদার ও জনমুখী আমলাতন্ত্র গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই সচিব সভা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।
সভায় উপস্থিত শীর্ষস্থানীয় সচিব ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা সরকারের নীতিনির্ধারকগণের নির্দেশনাগুলো গুরুত্ব সহকারে শোনেন এবং তা বাস্তবায়নে নিজেদের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং দীর্ঘসূত্রিতা দূর করার মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গঠনে বর্তমান প্রশাসন বদ্ধপরিকর বলে জানানো হয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক