বিএনপির শাসনামলে কিংবা অন্য যেকোনো সরকারের আমলে কোরআন-সুন্নাহবিরোধী কোনো আইন প্রণয়ন করা হলে তা দল বা জোটগতভাবে কোনোভাবেই সমর্থন করা হবে না বলে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ (মুফতি ওয়াক্কাস গ্রুপ)।
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশের বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরাম এবং সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এরই ধারাবাহিকতায় জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এই নীতিগত অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। দলটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ গণমাধ্যমকে জানান যে, দেশের সাধারণ মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস এবং ইসলামী অনুশাসনের পরিপন্থী কোনো পদক্ষেপকে তারা রাজনৈতিক বা আদর্শিক কোনো কারণেই মেনে নেবে না।
উল্লেখ্য যে, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে আলেম-ওলামাদের ওপর নানা ধরনের নিপীড়ন ও নির্যাতন চালানো হয়েছিল। সেই ফ্যাসিস্ট জমানার অবসান ঘটিয়ে দেশে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে জাতীয়তাবাদী শক্তি ও ইসলামপ্রিয় জনগণের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে। তবে ইসলামী মূল্যবোধ রক্ষা এবং তা সমুন্নত রাখার প্রশ্নে জমিয়ত সবসময় আপসহীন অবস্থানে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে বলে দলীয় ফোরামে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
দেশের আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় যাতে কোরআন ও সুন্নাহর মৌলিক বিধানের পরিপন্থী কোনো ধারা বা আইন যুক্ত হতে না পারে, সে বিষয়ে সব মহলে সতর্ক দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানিয়েছে জমিয়তের এই অংশটি। নীতিনির্ধারকদের প্রতি তাদের স্পষ্ট বার্তা হলো, জনগণের ধর্মীয় সেন্টিমেন্টকে শ্রদ্ধা জানিয়ে যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে, অন্যথায় যেকোনো অনৈসলামিক নীতির বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিবাদ গড়ে তোলা হবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক