মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের প্রস্তাবিত কঠোর ভিসা নীতি কার্যকর হওয়ার আগেই তা স্থগিত করেছেন আদালত। বোস্টনের একটি ফেডারেল আদালতের বিচারক শিক্ষা ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মার্কিন বিচার বিভাগের এই সিদ্ধান্ত এক বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা দিয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যেতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রদানে নানা কড়াকড়ি আরোপের ইঙ্গিত দেওয়া হচ্ছিল। এর ফলে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অধ্যয়নরত এবং নতুন করে ভর্তির অপেক্ষায় থাকা লাখ লাখ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছিল। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশটির শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শ্রমিক অধিকার সংগঠনগুলো যৌথভাবে আদালতের শরণাপন্ন হয়। তাদের জোরালো আইনি লড়াইয়ের ফলেই বোস্টনের ফেডারেল আদালত এই গুরুত্বপূর্ণ স্থগিতাদেশ প্রদান করেন, যা আন্তর্জাতিক ছাত্রসমাজ অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছে।
আইনি লড়াইয়ের সাথে সংশ্লিষ্টরা গণমাধ্যমকে জানান, এই স্থগিতাদেশ সাময়িক হলেও এর মাধ্যমে প্রশাসনের একতরফা ও কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার পথ সাময়িকভাবে রুদ্ধ হয়েছে। আদালত মনে করছেন, এই নীতি বাস্তবায়িত হলে তা কেবল বিদেশি শিক্ষার্থীদেরই নয়, বরং মার্কিন উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার আন্তর্জাতিক সুনাম ও অর্থনৈতিক ভিত্তির জন্যও ক্ষতিকর হতে পারে। পরবর্তী শুনানির আগে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো জোরালো যুক্তি উপস্থাপন করা না গেলে এই স্থগিতাদেশ আরও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে বলে ধারণা করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক