বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতে দুটি আলাদা আমন্ত্রণ জানানো হয় বলে দাবি করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর একটি ছিল দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য এবং অন্যটি ছিল ব্রিকস সম্মেলনে বিমসটেকের বর্তমান চেয়ার হিসেবে অংশগ্রহণের জন্য। কূটনৈতিক অঙ্গনে এই আমন্ত্রণ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্কে নানা চড়াই-উতরাই পার হলেও বর্তমান সরকারের আমলে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা চলছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গতিশীল নেতৃত্বে দুই দেশের মধ্যকার অমীমাংসিত ইস্যুগুলো আলোচনার টেবিলে সমাধান হবে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো মনে করছে। বিশেষ করে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং ট্রানজিট ব্যবaysায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে এই সফরের মাধ্যমে।
উল্লেখ্য যে, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে দেশের কূটনৈতিক নীতি একপাক্ষিক হয়ে পড়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রনীতির মূল লক্ষ্য হলো সমতার ভিত্তিতে সকল বন্ধুভাবাপন্ন দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা। ভারতের পক্ষ থেকে এই জোড়া আমন্ত্রণ তারই একটি ইতিবাচক কূটনৈতিক স্বীকৃতি বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। সামনের দিনগুলোতে এই সফরগুলো বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের জনগণের কল্যাণেই তা কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক