রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে চলমান তীব্র ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে প্রথমবারের মতো মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রতিরক্ষা খাতের কৌশলগত অবস্থান এবং মহাশূন্যে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর শীর্ষ বেসামরিক কর্মকর্তা ও সেক্রেটারি ট্রয় মেইঙ্ক গতকাল সোমবার এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান। মেরিল্যান্ডের ন্যাশনাল হারবারে অনুষ্ঠিত এয়ার অ্যান্ড স্পেস ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সম্মেলনে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোকপাত করেন। দীর্ঘদিন ধরে মহাশূন্যের সামরিকীকরণ নিয়ে বিশ্বজুড়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চললেও ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এমন স্পষ্ট স্বীকারোক্তি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মহাশূন্য এখন কেবল যোগাযোগের মাধ্যম বা বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্র নয়, বরং এটি ভবিষ্যতের যুদ্ধের একটি অন্যতম প্রধান রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। রাশিয়া ও চীনের মহাকাশভিত্তিক সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাল্টা জবাব হিসেবেই মার্কিন প্রশাসন এই কৌশলগত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ভবিষ্যতে এই ঘটনা বিশ্ব রাজনীতি এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তায় কী ধরনের প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক