নয় এগারো এবং পরবর্তী সময়ে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সময় পশ্চিমা দেশগুলো যখন তালেবান ও আইএসের বিরুদ্ধে লড়াই কিংবা ইরাকে জটিল দখলদার পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যস্ত ছিল, তখন রাশিয়া ও চীন ব্যাপক পুনরায় অস্ত্রসজ্জা কর্মসূচি গ্রহণ করে। হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের মতো প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন নেটোর একসময়ের সামরিক সুবিধা এবং বৈশ্বিক আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দেয়। এই সামরিক ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির ফলে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সমীকরণ সম্পূর্ণ বদলে গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিমা শক্তির মনোযোগ যখন মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতে সীমাবদ্ধ ছিল, তখন মস্কো এবং বেইজিং সুকৌশলে তাদের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করে। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে একক আধিপত্যের অবসান ঘটে একটি বহুমুখী বিশ্ব ব্যবস্থার উদ্ভব হয়েছে, যেখানে রাশিয়া ও চীনের যৌথ অবস্থান পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য নতুন কৌশলগত চিন্তার খোরাক জুগিয়েছে। এই পরিবর্তন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পাশাপাশি বৈশ্বিক নিরাপত্তার ধারণাকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক