যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি হারানোর পর নতুন কাজ বা স্পন্সর খোঁজার জন্য এইচ-১বি ভিসাধারীসহ কয়েক শ্রেণির বিদেশি দক্ষ কর্মীরা যে ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড পেতেন, তা বাতিলের প্রস্তাব করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। স্থানীয় অভিবাসন নীতি ও শ্রমবাজারের সুরক্ষার কথা বলে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার চিন্তাভাবনা চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে প্রবাসী পেশাজীবীদের জন্য মার্কিন মুলুকে টিকে থাকা আরও বেশি চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়াবে। বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি খাতসহ বিভিন্ন উচ্চপ্রযুক্তির পেশায় কর্মরত অভিবাসীরা গভীর অনিশ্চয়তার মুখে পড়বেন।
বিশ্লেষকদের মতে, এই নীতি কার্যকর হলে চাকরিচ্যুত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অভিবাসীদের দেশত্যাগ করতে হবে অথবা অবিলম্বে নতুন কোনো বৈধ ভিসার ব্যবস্থা করতে হবে, যা অত্যন্ত স্বল্প সময়ে প্রায় অসম্ভব। অতীতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে দেশের অনেক শিক্ষার্থী ও পেশাজীবী যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেও বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তাদের অনেকেই এই ধরনের কঠোর অভিবাসন নীতির কারণে বিপাকে পড়তে পারেন। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, মার্কিন প্রশাসনের এই কড়াকড়ি বৈশ্বিক শ্রমবাজার এবং বিশেষ করে দক্ষিণ এশীয় পেশাজীবীদের ওপর দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। অভিবাসন আইনজীবী ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো ইতিমধ্যে এই উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা শুরু করেছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক