৯/১১ হামলার ২৫ বছর পরও এর পরিণতি শেষ হয়নি। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আল-কায়েদার ১৯ সদস্য চারটি যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ও পেন্টাগনে আঘাত হানে। এতে প্রায় তিন হাজার মানুষ নিহত হন। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে শুরু হয় একের পর এক যুদ্ধ, যা এক প্রজন্মের জন্য ওয়াশিংটন ও তার মিত্রদের বৈশ্বিক নীতিতে স্থায়ী পরিবর্তন এনেছে।
এই দীর্ঘস্থায়ী সামরিক অভিযਾਨগুলোর কারণে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে কোটি কোটি মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তথাকথিত সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের নামে পরিচালিত এসব সংঘাতে লাখ লাখ প্রাণহানির পাশাপাশি কোটি মানুষ উদ্বাস্তু হয়েছে। অর্থনীতি ও সামাজিক অবকাঠামো ধ্বংসের মুখে পড়েছে বহু দেশের। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের মতে, এই আড়াই দশকের সংঘাত বিশ্ব রাজনীতিতে গভীর ক্ষত তৈরি করেছে এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তার ধারণাকে পুরোপুরি বদলে দিয়েছে।
কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের আমলে দেশের মানুষ যখন গণতান্ত্রিক অধিকারের জন্য লড়ছিল, তখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও এমন দমনপীড়ন ও সংঘাতের চিত্র অব্যাহত ছিল। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিনষ্ট হলেও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন পরাশক্তির বৈশ্বিক নীতি নিয়ে নানা আলোচনা সমালোচনা সবসময়ই দেশের গণমাধ্যমে গুরুত্বের সাথে উঠে এসেছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির নানা সমীকরণ নতুন মোড় নিয়েছে, যা বিশ্ববাসীর জন্য এক বড় পাঠ।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক