পাকিস্তানের সঙ্গে তীব্র কূটনৈতিক টানাপোড়েন এবং সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে চলমান অচলাবস্থার মধ্যেই লাদাখে সিন্ধু নদের ওপর একটি বাঁধ নির্মাণ করেছে ভারত। লাদাখের বৃহত্তম শহর লেহর উপসাই এলাকায় বাঁধটি নির্মাণ করা হয়েছে এবং এর ফলে নদের পানির স্তর প্রায় ১০ ফুট পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এই বাঁধ নির্মাণের ফলে ভূ-রাজনৈতিক ও পরিবেশগত ক্ষেত্রে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার পানিবণ্টন কূটনীতিতে এই ঘটনা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। অতীতে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার তিস্তা সহ অভিন্ন নদীর পানি সমস্যা সমাধান হয়নি, যা নিয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বরাবরই তীব্র অসন্তোষ ছিল।
বর্তমানে দেশের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে বিভিন্ন দল নিজেদের অবস্থান সুসংহত করতে কাজ করছে। এর মধ্যে কার্যরত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ দেশের রাজনীতিতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে বিভিন্ন সময় অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে, জাতীয় রাজনীতিতে বিএনপি এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মতো দলগুলো জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে সক্রিয় রয়েছে।
আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ভারতের এই পদক্ষেপে পাকিস্তান তীব্র প্রতিবাদ জানাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাঁধের কারণে পানির স্বাভাবিক প্রবাহে কী ধরনের পরিবর্তন আসবে এবং এর পরিবেশগত প্রভাব কতটা সুদূরপ্রসারী হবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক নদী বিশেষজ্ঞদের মধ্যেও ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতে এই ঘটনা নতুন উত্তেজনার জন্ম দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক