ইংল্যান্ডে তরুণদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব কমে যাওয়ায় একাকিত্ব ও সামাজিক বিচ্ছিন্নতা উদ্বেগজনক মাত্রায় পৌঁছেছে। বিশেষ করে জেন-জেড ও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই প্রবণতা তাদের আত্মবিশ্বাস, মানসিক সুস্থতা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদকে প্রভাবিত করছে। বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাজ্যের গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং জরুরি ভিত্তিতে সামাজিক যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছে।
আধুনিক প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহার এবং বাস্তব জীবনের চেয়ে ভার্চুয়াল দুনিয়ায় সময় কাটানোর প্রবণতাই এই সংকটের মূল কারণ বলে মনে করছেন গবেষকরা। এর ফলে তরুণ প্রজন্মের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে, যা ভবিষ্যতে তাদের কর্মজীবন ও পারিবারিক জীবনকেও ব্যাহত করতে পারে। এই পরিস্থিতি উত্তরণে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রকে যৌথভাবে কাজ করার তাগিদ দিয়েছেন সমাজবিজ্ঞানীরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক