সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগুরু নয়, দেশের প্রতিটি নাগরিককে সমানভাবে বাংলাদেশি হিসেবে দেখার জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, আমাদের সবার একটিই অভিন্ন এবং গর্বিত পরিচয় রয়েছে, আর তা হলো আমরা সবাই বাংলাদেশি। এই অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ করেই দেশের সকল স্তরের মানুষকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ঐতিহাসিক ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই দিকনির্দেশনামূলক কথাগুলো বলেন। রাষ্ট্রীয় এই অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বক্তব্যে আরও বলেন, অতীতে দেশের ভেতরে বিভাজন তৈরির নানা অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল। বিশেষ করে, স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে দেশের জনগণের মধ্যে কৃত্রিম বিভেদ সৃষ্টি করে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার কূটকৌশল করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান গণতান্ত্রিক ধারায় সেই অন্ধকার যুগ পেরিয়ে দেশের প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর।
তিনি যোগ করেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং অগ্রগতির জন্য সব ধর্ম, বর্ণ ও গোত্রের মানুষের সম্মিলিত অবদান রয়েছে। তাই কাউকে সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু হিসেবে চিহ্নিত না করে দেশের প্রতিটি মানুষকে সমান মর্যাদার অংশীদার হিসেবে দেখতে হবে। এই ঐক্যের মাধ্যমেই একটি সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক