জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান বলেছেন, সমাজে ন্যায়বিচার, সমতা, মানবাধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলেই কেবল টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক এক ফোরামে বক্তব্য রাখার সময় তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ অভিমত ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিশ্বজুড়ে চলমান সংঘাত ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে হলে রাষ্ট্রগুলোকে অবশ্যই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং প্রান্তিক মানুষের অধিকার সুরক্ষায় আরও বেশি মনোযোগী হতে হবে। বৈশ্বিক শান্তি বজায় রাখতে বহুমুখী কূটনীতির পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে সুশাসন নিশ্চিত করার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান জটিল ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে শান্তি প্রতিষ্ঠার এই বার্তা অত্যন্ত সময়োপযোগী। অতীতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার শাসনামলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের নানা ঘটনা ঘটলেও, বর্তমান গণতান্ত্রিক যাত্রায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। রাষ্ট্রদূতের এই বক্তব্যে বাংলাদেশের কূটনৈতিক কাঠামোর একটি ইতিবাচক দিক ফুটে উঠেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ভবিষ্যতে বিশ্ব শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশের ভূমিকা আরও সুদৃঢ় করতে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে এ ধরনের কূটনৈতিক তৎপরতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। সার্বिक এই পরিস্থিতি বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে বলেই বিশ্বাস করেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক