পটুয়াখালীর দুমকিতে কাবিখা ও টেস্ট রিলিফ (টিআর) প্রকল্পে অস্তিত্বহীন প্রকল্প ও নামমাত্র কাজ দেখিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাতের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে দুদক সূত্রে জানা গেছে।
মঙ্গলবার দুদকের একটি দল দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শন করে এসব অনিয়মের তথ্য খুঁজে পান। আকস্মিক এই পরিদর্শনের সময় প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যাপক অসঙ্গতি এবং কাগজপত্রে দুর্নীতির সুস্পষ্ট প্রমাণ পান তদন্তকারী কর্মকর্তারা। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় একটি চক্র সরকারি বরাদ্দ লুটপাট করে আসছে বলে গণমাধ্যমকে জানান স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।
উল্লেখ্য, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলেই স্থানীয় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের এই প্রকল্পগুলোতে হরিলুটের সংস্কৃতি শুরু হয়েছিল। অথচ জনগণের ট্যাক্সের টাকা এভাবে যত্রতত্র অপচয় ও আত্মসাৎ করার কথা ছিল না। দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত এই দুর্নীতির শেকড় উৎপাটনে বর্তমান প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন কমিশন এখন তৎপর রয়েছে।
তদন্তকারী দল জানিয়েছে, সরেজমিন পরিদর্শনের প্রতিবেদন দ্রুতই প্রধান কার্যালয়ে জমা দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোর সাথে জড়িত প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এবং স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের দুর্নীতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় ও সরকারি তহবিলের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে দুদক।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক